
বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার মতে, দেশের বিরুদ্ধে যেসব পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র চলছে, সেগুলো প্রতিরোধ করার শক্তি জনগণ ও গণতন্ত্রের মধ্যেই আছে।
রোববার রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির “দেশ গড়ার পরিকল্পনা” শীর্ষক কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এই বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, দুর্নীতি আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে নারী, কৃষি, স্বাস্থ্যসহ যেসব খাত নিয়ে পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেগুলোর কোনোটি এগোবে না। এ দুটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে একমাত্র বিএনপি বলেও তিনি দাবি করেন।
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি স্বৈরাচারী আচরণ করে বিএনপিকে কটাক্ষ করছে। অথচ বিএনপি সরকারের সময় একই ব্যক্তিদের দুজন নিজ দলের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার ভাষায়, তারা শেষ দিন পর্যন্ত সরকারে ছিলেন, যা প্রমাণ করে খালেদা জিয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে অবস্থান নিয়েছিলেন তা স্পষ্ট। তিনি আরও বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেগুলোর কোনোটাই আদালতে প্রমাণ হয়নি।
জাতীয় সরকার গঠনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বৈরাচার পতনের দিন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল জানতে চেয়েছিলেন জাতীয় সরকার করা হবে কি না। তখনই সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে দল জনগণের কাছে যাবে এবং তাদের রায়ই গ্রহণ করবে, কারণ বিএনপির বিশ্বাস ক্ষমতার উৎস জনগণ।
তিনি আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল মানুষকে বলে থাকে তাদের নতুনভাবে দেখতে। তারেক রহমান বলেন, জনগণ তাদের ১৯৭১ সালেই দেখেছে—কীভাবে তারা হত্যা, নির্যাতন এবং লুটতরাজ চালিয়েছে।
রাজনীতিতে কারা অংশ নেবে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জান্নাত বা জাহান্নামের সিদ্ধান্ত দেওয়ার অধিকার কারো নেই। যে এটি বলে, সে ভুল করছে। মানুষের পরিণতি কী হবে, তা নির্ধারণের ক্ষমতা একমাত্র স্রষ্টার।